সব কিছু
facebook channelkhulna.tv
খুলনা মঙ্গলবার , ১৪ই ফাল্গুন, ১৪৩০ বঙ্গাব্দ , ২৭শে ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
অবৈধ গ্যাস ও পেট্রোল ব্যবসা রোধে ব্যবস্থা নেই বিস্ফোরক পরিদফতরের | চ্যানেল খুলনা

অবৈধ গ্যাস ও পেট্রোল ব্যবসা রোধে ব্যবস্থা নেই বিস্ফোরক পরিদফতরের

খুলনায় মুদি ও ফোন ফ্যাক্সের দোকানেও অবাধে চলা অবৈধ গ্যাস ও পেট্রোলের ব্যবসা বন্ধে ব্যবস্থা নিতে পারছে না বিস্ফোরক পরিদপ্তর। এতে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে নগরী। প্রায় সাড়ে ৩ হাজার অবৈধ ব্যবসায়ী যত্রতত্র ব্যবসা চালিয়ে গেলেও তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেই। কর্মকর্তাদের দাবি, জনবল সংকটের কারণে তারা এসব দেখভাল করতে পারছেন না।
খুলনা বিস্ফোরক পরিদফতর সূত্র জানায়, খুলনা বিভাগে লাইসেন্সধারী পেট্রোলিয়াম ব্যবসায়ীর সংখ্যা ১ হাজার ৬৫০। আর গ্যাস ব্যবসায়ীর সংখ্যা ৭৬০টি। এর বাইরে অবৈধভাবে গ্যাস ও পেট্রোলের ব্যবসা করছেন প্রায় সাড়ে ৩ হাজার ব্যবসায়ী। বিস্ফোরক পরিদফতরে জনবল সংকটের কারণে তদারকি করা সম্ভব হচ্ছে না বলে জানান এ দফতরের সহকারী বিস্ফোরক পরিদর্শন কর্মকর্তা ফরিদ উদ্দিন আহমেদ। তিনি বলেন, ‘খুলনা ও বরিশাল বিভাগের ১৬ জেলার পেট্রোল পাম্প, এলপি গ্যাস সিলিন্ডার, পেট্রোল, ডিজেল ও কেরোসিনের খুচরা বিক্রেতাদের লাইসেন্স দেয়া হয় এখান থেকে। খুলনায় অনুমোদিত জনবলের মধ্যে বিস্ফোরক পরিদর্শকের পদ একটি। এ পদটি শূন্য। একজন সহকারী বিস্ফোরক পরিদর্শক দুই বিভাগের ১৬ জেলার দায়িত্ব পালন করছেন ১০ বছর ধরে।
তিনি বলেন, জনবল বৃদ্ধির জন্য বহুবার ওপরে জানানো হয়েছে। সম্প্রতি একজন এমএলএসএস দেয়া হয়েছে, যা’ আছে তা’ নিয়ে কাজ করছি। বিশাল এ এরিয়ার কাজ করার জন্য আমাদের নিজস্ব কোনো যানবাহন নেই। তারপরও কাজ করতে হচ্ছে।
সরেজমিন দেখা যায়, নগরীর বিভিন্ন এলাকার মুদি দোকানে বিক্রি হচ্ছে গ্যাস সিলিন্ডার। দোকানের সামনে রাস্তা দখল করে রাখা হয়েছে এসব সিলিন্ডার। স্থানীয় সচেতন লোকজন জানান, এভাবে অবৈধভাবে যত্রতত্র গ্যাসের ব্যবসার কারণে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠেছে নগরী। গত বছর জানুয়ারিতে নগরীর টুটপাড়া কবরখানা এলাকার একটি অবৈধ খুচরা পেট্রোল বিক্রেতার দোকানে আগুন লাগে। এর আগে নভেম্বরে বয়রার রায়েরমহল এলাকার একটি মুদি দোকানে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
এ ব্যাপারে ব্যবসায়ীরা জানান, হয়রানি ও বিড়ম্বনার কারণে তারা লাইসেন্স করতে চান না। জেলার কয়রা উপজেলার গ্যাস ব্যবসায়ী মনিরুল ইসলাম বলেন, ‘কয়রা থেকে খুলনা গিয়ে লাইসেন্স করানো কঠিন। এরপর সেখানে গিয়ে বিভিন্ন কাগজপত্র নিয়ে জটিলতা তৈরি করেন কর্মকর্তারা। এটা নেই, সেটা নেই বলে হয়রানি করেন। এরপর নকশা তৈরির জন্য খরচ করতে হয় প্রায় ১০ হাজার টাকা। এসব কারণে বাধ্য হয়ে লাইসেন্স না করেই ব্যবসা করি।’
খুলনা এলপি গ্যাস ব্যবসায়ী মালিক সমিতির সভাপতি মোঃ তোবারেক হোসেন তপু বলেন, ‘যত্রতত্র ব্যবসায়ীরা অভিজ্ঞ না। সিলিন্ডার দেওয়ার সময় লিকেজ আছে কিনা পরীক্ষা করে দেখে না। লাইসেন্সপ্রাপ্তরা এগুলো পরীক্ষা নিরীক্ষা কওে তবেই সিলিন্ডার হস্তান্তর করে। ফলে যেকোন সময় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এর ফলে বৈধ ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।

Your Promo BD

সাহিত্য ও সাংস্কৃতি আরও সংবাদ

শিল্পকলা পদক পাচ্ছেন ২০ গুণীজন

খুলনায় ‘উন্নয়নের সরণিতে পদ্মা সেতু’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

আজ কবি সিকান্দার আবু জাফরের ১০৩ তম জন্মদিন : জন্মদিন উপলক্ষ্যে জেলা প্রশাসন নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে

বইমেলায় রাশেদুল মওলার “লকডাউনের লকারে”

বইমেলায় আলতামিশ নাবিলের ‘বাংলার চলচ্চিত্রপাঠ’

‘অভাগীর প্রেম’ এখন অমর একুশে গ্রন্থমেলায়

চ্যানেল খুলনা মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন  
DMCA.com Protection Status
উপদেষ্টা সম্পাদক: এস এম নুর হাসান জনি
ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক: শেখ মশিউর রহমান
It’s An Sister Concern of Channel Khulna Media
© ২০১৮ - ২০২২ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | চ্যানেল খুলনা.বাংলা, channelkhulna.com, channelkhulna.com.bd
যোগাযোগঃ কেডিএ এপ্রোচ রোড (টেক্সটাইল মিল মোড়), নিউ মার্কেট, খুলনা।
ঢাকা অফিসঃ ৬৬৪/এ, খিলগাও, ঢাকা-১২১৯।
ফোন- 09696-408030, 01704-408030, ই-মেইল: channelkhulnatv@gmail.com
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য মন্ত্রণালয়ের তালিকাভুক্তির জন্য আবেদিত।