খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজী নজরুল ইসলাম কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারে কর্মরত পার্সোনাল অ্যাসিস্ট্যান্ট কাম কম্পিউটার অপারেটর মো. শফিকুল ইসলাম সোমবার (২৩ ডিসেম্বর) আনুমানিক ভোর ৪টার দিকে বটিয়াঘাটার আরাফাতনগরের বাসায় ইন্তেকাল করেন (ইন্না লিল্লাহি … রাজিউন)। তিনি দীর্ঘদিন ধরে কিডনিজনিত রোগে অসুস্থ হয়ে চিকিৎসারত ছিলেন। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল আনুমানিক ৫১ বছর। তিনি স্ত্রী, দুই ছেলে, এক মেয়েসহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিম পার্সোনাল অ্যাসিস্ট্যান্ট কাম কম্পিউটার অপারেটর মো. শফিকুল ইসলামের ইন্তেকালে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন। এক শোক বার্তায় তিনি মরহুমের আত্মার মাগফিরাত কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।
অনুরূপভাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. হারুনর রশীদ খান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. নূরুন্নবী, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. এস এম মাহবুবুর রহমান এবং গ্রন্থাগারিক (ভারপ্রাপ্ত) ও সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ শোক প্রকাশ করেছেন।
এদিকে আজ বেলা ১১টায় শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ প্রশাসনিক ভবনের সামনে মরহুমের নামাজে জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা নামাজের পূর্বে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. রেজাউল করিম মরহুমের স্মৃতিচারণ করেন। জানাজা নামাজে উপাচার্যসহ উপ-উপাচার্য প্রফেসর ড. মো. হারুনর রশীদ খান, ট্রেজারার প্রফেসর ড. মো. নূরুন্নবী, রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর ড. এস এম মাহবুবুর রহমান এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা-কর্মচারীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। জানাজা নামাজে ইমামতি করেন কেন্দ্রীয় জামে মসজিদের সিনিয়র পেশ ইমাম মুফতি আব্দুল কুদ্দুস। পরে তাঁর মরদেহ দাফনের উদ্দেশ্যে সাতক্ষীরা জেলার কালিগঞ্জের পাইকাড়া গ্রামে নিয়ে যাওয়া হয়।