বাংলাদেশের ফুটবল অঙ্গনে সাম্প্রতিক সময়ে সব সাফল্যের গল্পই নারী ফুটবলারদের হাতে লেখা। অথচ সেই নারী ফুটবলারদের পারিশ্রমিক পরিশোধে গড়িমসি চলছে। বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশনের (বাফুফে) কমিটি বদলে গেছে, নতুন নেতৃত্ব এলেও অবশ্য নারী ফুটবলারদের বেতন-ভাতার সংকট কাটেনি। তবে ঈদের আগেই বাফুফের স্টাফরা ঠিকই বেতন-বোনাস পেয়ে গেছেন।
গত ফেব্রুয়ারিতে ৩৬ জন নারী ফুটবলারদের সঙ্গে চুক্তি করেছিল বাফুফে। সেই চুক্তির এক মাস পার হলেও ঈদের আগে বেতন পাননি চুক্তিভুক্ত ফুটবলাররা।
এক্ষেত্রে বাফুফে সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন তুষার দায় চাপিয়েছেন নারী ফুটবলারদের কাঁধে। বলেছেন, ‘চুক্তির পরই সবাইকে (যারা নতুন) ব্যাংক অ্যাকাউন্ট করতে বলা হয়েছিল। অনেকে অ্যাকাউন্ট করেনি এজন্য আমরা তাদের সম্মানী দিতে পারিনি। ঈদের পর সবাইকে একসঙ্গে দেওয়া হবে। তাদের জন্য আমাদের আর্থিক ব্যবস্থাপনা আগে থেকেই প্রস্তত রয়েছে।’
তবে সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এক্ষেত্রে ফেডারেশনেরও সদিচ্ছার অভাবই মূল কথা। বাফুফে ভবন ব্যাংক-বাণিজ্য পাড়া মতিঝিলেই। নারী ফুটবলাররা বাফুফে ভবনেই থাকেন। বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলের স্পন্সর ঢাকা ব্যাংক। খুব সহজেই অতি স্বল্প সময়ে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট খোলা সম্ভব।
এদিকে সাফ চ্যাম্পিয়ন নারী দলকে বাফুফের দেড় কোটি টাকা পুরস্কার দেওয়ার কথা থাকলেও ফেডারেশন কর্তারা সেটা যেন ভুলেই গেছেন।