সব কিছু
facebook channelkhulna.tv
খুলনা শুক্রবার , ১৪ই চৈত্র, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ , ২৮শে মার্চ, ২০২৫ খ্রিস্টাব্দ
বিভাগীয় তদন্তে দুর্নীতির প্রমান সত্বেও ঝিনাইদহ জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও এক শিক্ষক এখনো বহাল তবিয়তে | চ্যানেল খুলনা

ঝিনাইদহ জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সুশান্ত কুমার দেবের খুটির জোর কোথায়

বিভাগীয় তদন্তে দুর্নীতির প্রমান সত্বেও ঝিনাইদহ জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও এক শিক্ষক এখনো বহাল তবিয়তে

চ্যানেল খুলনা ডেস্কঃঝিনাইদহের জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সুশান্ত কুমার দেব ও ঝিনাইদহ সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ মিজানুজ্জামানের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ তদন্ত কমিটি কতৃক প্রমাণিত হলেও তারা এখনও বহাল তবিয়তে চেয়ারে বসে ক্ষমতা জাহির করে চলেছেন। নিয়মানুসারে প্রজাতন্ত্রের কোন কর্মচারি যদি কোন অপরাধে দন্ডিত হন বা তদন্তে দোষী সাব্যস্থ হন তাহলে সে কর্মচারী তার পদে থাকার যোগ্যতা হারাবেন। কারন দোষী সাব্যস্থ ব্যাক্তি শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালা/২০১৮(চ) ধারা মোতাবেক তার নৌতিক স্খখলণ ঘটে। কিন্তু জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা সুশান্ত কুমার দেব ও ঝিনাইদহ সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ মিজানুজ্জামানের বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমানিত হলেও তাদের বিরুদ্ধে রহস্যজনক কারনে ওই ধারায় কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি। ফলে তারা বহাল তবিয়তে চেয়ারে বসে আছেন।

সুত্রে জানা যায়, ঝিনাইদহ শিক্ষা কর্মকর্তা সুশান্ত কুমার দেবের বিরুদ্ধ পত্রিকায় অর্থিক অনিয়ম ও নানাবিধ বিষয়ে সংবাদ প্রচার হলে তার প্রেক্ষিতে তদন্ত করা হয়। তদন্ত কর্মকর্তা মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা খুলনার পরিচালক সরেজমিনে তদন্ত করে অনুমতি/বরাদ্ধ ব্যাতিরেখে রেষ্ট হাউজে বসবাস/অবস্থান, অনুমোদন ছাড়া সম্মানি গ্রহন ও এমপিও প্রদানের ক্ষেত্রে ইচ্ছাকৃত হয়রানির প্রমান পান।

এই সকল বিষয়ে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করার পর গত ০৩ এপ্রিল ২০১৯ তারিখে ৩৭.০২.০০০০.১০৬.২৭.০০১.১৫.৭০৭ স্বারকে সহকারী পরিচালক (মাধ্যমিক) মোঃ আমিনুল ইসলাম টুকু স্বাক্ষরিত একটি পত্র দিয়ে সুশান্ত কুমার দেবকে আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য চিঠি দেন। এরপর প্রায় ৪ মাস অতিবাহিত হলেও তার বিরুদ্ধে অদ্যবধি কোন ব্যবস্থা গ্রহন করা হয়নি। অন্যদিকে অভিভাবকদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে ঝিনাইদহ সরকারী উচ্চ বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোঃ মিজানুজ্জামানের বিরুদ্ধে নীতিমালা বহির্ভুতভাবে ছাত্র ভর্তির অভিযোগ তদন্ত করতে সরেজমিন আসেন তদন্ত মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা খুলনার পরিচালক প্রফেসার ড. হারুন অর রশিদ। তদন্তে বিদ্যালয়ে ০৫ জন শিক্ষার্থীকে নীতিমালা বহির্ভুতভাবে ভর্তির প্রমান পায়। যা শিক্ষা মন্ত্রণালয় কতৃক জারিকৃত সরকারি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থী ভর্তির নীতিমালার অনুচ্ছেদ ১৫,৩ এর সুস্পষ্ট লঙ্ঘন এবং দন্ডনীয় অপরাধ। তদন্ত প্রতিবেদন ঢাকার শিক্ষা ভবনে জমা দেওয়ার পর তার বিরুদ্ধে কেন আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহন করা হবেনা সে বিষয়ে ০৭ (সাত) কর্মদিবসের মধ্যে জবাব প্রেরণ করার জন্য নির্দেশক্রমে অনুরোধ জানিয়ে সহকারী পরিচালক (মাধ্যমিক) মোঃ আমিনুল ইসলাম টুকু স্বাক্ষরিত একটি পত্র দেয়া হয়। যার স্বারক নং-৩৭.০২.০০০০.১০৬.২৭.০০৫.১৯.৪০৬ তারিখ ০৮ আগষ্ট ২০১৯।

এখানেও প্রজাতন্ত্রের কোন কর্মচারি কোন অপরাধে দন্ডিত হন বা তদন্তে দোষি সাব্যস্থ হন তাহলে উক্ত কর্মচারী তার পদে থাকার যোগ্যতা হারাবেন। শৃঙ্খলা ও আপিল বিধিমালা/২০১৮(চ) ধারা মোতাবেক তার নৌতিক স্খখলণ ঘটেছে বলে ধরে নেওয়া হবে। অথচ সরকারী এই দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার দোষ প্রমানিত হলেও তাদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেওয়ার কচ্ছপ গতিতে অভিযোগকারীরা হতাশ। সরকার প্রধান যখন দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর এবং জিরো টলারেন্স ঘোষনা করে সমাজ ও রাষ্ট্র থেকে দুর্নীতি উচ্ছেদের ঘোষানা দিয়েছেন, তখন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের সচ্ছতা ও আইনি প্রয়োগ নিয়ে জনমনে প্রশ্ন উঠেছে।

https://channelkhulna.tv/

সংবাদ প্রতিদিন আরও সংবাদ

স্ত্রী বাইরে যাওয়ার সুযোগে মেয়েকে ধর্ষণ করেন সৎবাবা

হঠাৎ বিস্ফোরণে বাজারে আতঙ্ক, স্থানীয়দের দাবি গুপ্ত হামলা

আমিরাত থেকে ফিরলেন ক্ষমা পাওয়া আরও ২৭ জন

ঢাকা মেডিকেল থেকে ‘ভুয়া নারী চিকিৎসক’ আটক

সাবেক আইজিপি ও কেএমপি কমিশনারসহ ১৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা

আদালত চত্বরে সাবেক মন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্রের ওপর ডিম নিক্ষেপ

চ্যানেল খুলনা মোবাইল অ্যাপস ডাউনলোড করুন  
DMCA.com Protection Status
সম্পাদক: মো. হাসানুর রহমান তানজির
It’s An Sister Concern of Channel Khulna Media
© ২০১৮ - ২০২৪ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত | চ্যানেল খুলনা.বাংলা, channelkhulna.com.bd
যোগাযোগঃ ৫ কেডিএ বানিজ্যিক এলাকা, আপার যশোর রোড, খুলনা।
প্রধান কার্যালয়ঃ ৫২/১, রোড- ২১৭, খালিশপুর, খুলনা।
ফোন- 09696-408030, 01704-408030, ই-মেইল: channelkhulnatv@gmail.com
গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের তথ্য অধিদফতরে অনলাইন নিউজ পোর্টাল নিবন্ধনের জন্য আবেদিত।