খুলনা বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ বলেছেন, দেশ পরিচালনায় সীমাহীন ব্যর্থতা ও দুর্নীতি, লুটপাট, দুঃশাসন আড়াল করতে আওয়ামী লীগ সরকার পরিকল্পিতভাবে সংঘাত সৃষ্টি করার অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। খুলনা মহানগর ও জেলা বিএনপি কার্যালয়ে অগ্নিসংযোগের চেষ্টা, ব্যানার ফেস্টুন, দোকানপাট ভাঙচুরের ঘটনা তারই অংশ। বুধবার রাত ৮ টায় খুলনা কেডি ঘোষ রোডস্থ দলীয় কার্যালয়ে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের তাৎক্ষনিক প্রতিবাদ সভায় নেতৃবৃন্দ আরও বলেন, সরকারি দলের সন্ত্রাসীদের পক্ষ নিয়ে পুলিশ সদস্যরা বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর লাঠিচার্জ করেছে। হামলা, মামলা ও দমন-পীড়ন করে কোন স্বৈরশাসক ক্ষমতা চিরস্থায়ী করতে পারেনি। হাসিনা সরকারও পারবে না। দেশে গণতন্ত্র নেই, বাক স্বাধীনতা নেই, ক্ষমতায় থাকতে দেশের সব প্রতিষ্ঠান ধ্বংস হয়ে গেছে। সাধারণ মানুষ ভোটাধিকার হারিয়েছে।
এসবের প্রতিবাদ করা আমাদের সাংবিধানিক অধিকার হরণ করছে সরকার। অতীত ইতিহাস থেকে শিক্ষা গ্রহনের আহবান জানিয়ে নেতৃবৃন্দ বলেন, আমাদের পিঠ এখন দেয়ালে ঠেকে গেছে। আমরা ঘুরে দাড়াঁলে পালাবার পথ খুঁজে পাবেন না। বর্তমানে সারাদেশে গুম, খুন, নারী ও শিশু নির্যাতনের যে মহামারী চলছে তার বিরুদ্ধে আন্দোলনকে ভিন্নখাতে নিতেই ছাত্রলীগ যুবলীগ এই হামলা চালিয়েছে। আওয়ামী সন্ত্রাসীদের কাপুরুষোচিত ও বর্বরোচিত হামলার ঘটনায় নিন্দা ও প্রতিবাদসহ দোষিদের আইনের আওতায় আনার জন্য পুলিশ প্রশাসনের প্রতি আহবান জানিয়েছেন।
মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক মেয়র মনিরুজ্জামান মনির সভাপতিত্বে প্রতিবাদ সভায় বক্তব্য রাখেন বিএনপি নেতা শেখ আব্দুর রশিদ, মোল্যা খায়রুল ইসলাম, মনিরুল হাসান বাপ্পি, মুর্শিদ কামাল, শফিকুল আলম তুহিন, আরিফুজ্জামান অপু, আবু হোসেন বাবু, শামীম কবির, রুবায়েত হোসেন, শেখ তৈয়েবুর রহমান, আতাউর রহমান রুনু, শফিকুল ইসলাম হোসেন, একরামুল কবির হেলাল, মাসুদ পারভেজ বাবু, কাজী নেহিবুল ইসলাম নেহিম, শেখ ইমাম হোসেন, মো. তরিকুল ইসলাম, সাইমুন ইসলাম রাসেল, আসাদুর রহমান শামীম, এড. এস্কেন্দার মির্জা, শফিকুল ইসলাম জোয়াদ্দার, মিরাজুল ইসলাম মিরাজ, শেখ মনিরুজ্জামান জনি, শরিফুল ইসলাম বাবু, শামীম আশরাফ, গোলাম মোস্তফা তুহিন, হাবিবুর রহমান কাজল, আল আমিন তালুকদার প্রিন্স, সাজ্জাদ হোসেন জিতু প্রমুখ।-খবর বিজ্ঞপ্তি